Popular posts from this blog
বাংলার গর্ব অচিন্ত
বাংলার ছেলে অচিন্তা শিউলি ইংল্যান্ডের মাটিতে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছে :- অচিন্তা শিউলি 8 বছর বয়সে তার বাবাকে হারিয়েছিল। তার মা এবং দাদা তার ভারোত্তোলন যাত্রাকে সমর্থন করার জন্য সব কিছু করেছে তার দাদা অলোক শিউলি বলেছে আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, অচিন্তা কিছু না খেয়ে সকাল 9টা থেকে 10 টা পর্যন্ত ওজন তুলত। তারপর অচিন্তা বাড়ি আসত, একটু খেয়ে স্কুলে যেত। সে বিকেল 4টায় স্কুল থেকে ফিরে আসত তারপর ফেনা ভাত ও ডিম খেত এবং আবার প্রশিক্ষণ করত সন্ধ্যা 7 টা পর্যন্ত। আমি তাকে বলতাম যে আমাদের খুব বেশি কিছু নেই এবং ভারোত্তোলনই একমাত্র জিনিস যা আমাদের জীবনকে পাল্টে দিতে পারে তাই এটাই তার জীবনের মন্ত্র হয়ে উঠেছে।
ছোটো ছেলের অস্থির গল্প।
ভারতের একটা শহরের পঞ্চম শ্রেণী প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষিকা,যাঁর অভ্যাস ছিল, ক্লাস শুরু হওয়ার আগে রোজ তিনি "আই লাভ ইউ অল" বলতেন। কিন্তু তিনি জানতেন, তিনি সত্য বলছেন না। তিনি জানতেন ক্লাসের সবাই কে এক রকম ভাবে তিনি ভালবাসেন না। রাজু নামে একটা বাচ্চা ক্লাসে যাকে তিনি মোটেও সহ্য করতে পারতেন না। রাজু ময়লা জামা-কাপড় পড়ে স্কুলে আসতো। তার চুলগুলো থাকত উষ্কো-খুষ্কো, খোলা থাকে জুতার বকলেস,শার্টের কলারে ময়লা দাগ, ক্লাসে পড়া বোঝানোর সময়ও সে থাকে খুব অন্য মনস্ক। মিস এর বকুনি খেয়ে, চমকে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকতো সে। কিন্তু তার শূন্য দৃষ্টি দেখে স্পষ্ট বোঝা যেত যে, রাজু শারীরিক ভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও তার মন অন্য কোনখানে উধাও হয়ে গেছে, রাজুর প্রতি ধীরে ধীরে মিসের মনে ঘৃণার উদ্রেক হলো। রাজু ক্লাসে ঢুকতেই, মিসের সমালোচনার শিকার হতো। সব রকম খারাপ কাজের উদাহরন রাজুর নামে হতে থাকল। বাচ্চারা তাকে দেখে আর খিলখিল করে হাসে, মিসও তাকে অপমান করে আনন্দ পান। রাজু যদিও এইসব কথার কোনও উত্তর দিতো না। মিস এর তাকে নিষ্প্রাণ পাথর বলে মনে হতো, যার মধ্যে অনুভূতি নামে কোন জিনিস ছিলো না। সমস্ত ধমক, ব্যঙ্গ...
Comments
Post a Comment